তুমি একটা ঘরে বসে আকাশ দেখছ। ছাদ খোলা। তারা দেখতে পাচ্ছ। কিন্তু ছাদের কিনারা আছে — সেই কিনারার বাইরে কী আছে, তুমি জানো না। তুমি ভাবো — আকাশ কোথায় শেষ? কিন্তু তোমার চোখ শুধু ছাদের ভেতরের টুকরো দেখে। এই ঘরটাই হলো কম্পিউটার সায়েন্সের প্রতিটি প্রোগ্রাম। প্রোগ্রাম চালালে তুমি জানো — কী হচ্ছে। কিন্তু ছাদের ওপারে একটা প্রশ্ন অপেক্ষা করছে: এই প্রোগ্রামটা কি কখনো থামবে?
You sit in a room watching the sky through an open roof. You see stars — but only within the roof's edge. What lies beyond? Your eyes see only the framed patch. This room is every computer program. When it runs, you know what it does — but above the roof waits a question: will this program ever stop?
এই বই তোমাকে নিয়ে যাবে ছাদের ওপারে। Turing (১৯৩৬) প্রমাণ করেছিলেন — কিছু প্রশ্নের উত্তর কোনো যন্ত্র দিতে পারে না। Gödel (১৯৩১) আগেই দেখিয়েছিলেন — কিছু সত্য কোনো যুক্তির ভেতরে ধরা যায় না। Church (১৯৩৬) বলেছিলেন — গণনা একটা নির্দিষ্ট জিনিস, তার সীমা আছে। এই দশটি দরজায় তুমি দেখবে — কী গণনা করা যায়, কী গণনা করা যায় না, আর কেন।
This book takes you beyond the roof. Turing (1936) proved some questions no machine can answer. Gödel (1931) showed some truths cannot be captured by any logical system. Church (1936) defined computation as a precise thing — with hard limits. Through ten doors, you will see what can be computed, what cannot, and why.
দশটি দরজা — সরল থেকে গভীরে। প্যাটার্ন থেকে সীমাবদ্ধতা পর্যন্ত।
দশটি দরজা পেরিয়েছ। গণনার সকল স্তর আয়ত্ত করেছ।
Kleene-এর প্যাটার্ন, Chomsky-এর গ্রামার, Turing-এর যন্ত্র, Gödel-এর সীমা, Cook-এর জটিলতা — কম্পিউটার সায়েন্সের গভীরতম তত্ত্ব।
এখন তুমি জানো — কোন প্রোগ্রাম থামবে, কোনটা চলবে চিরকাল। কোন সমস্যা সমাধানযোগ্য, কোনটা অসম্ভব। কোন সত্য প্রমাণযোগ্য, কোনটা অপ্রমাণযোগ্য।
সীমাবদ্ধতাই জ্ঞানের সবচেয়ে গভীর রূপ।